প রি চি তি

১৯৬৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির শুক্রবারের সন্ধ্যা ৫:৪৫-এ আমি জন্মেছি।

পৌতৃক বাড়ি, চিতলমারীর বড়বাড়িয়া গ্রামে। পিতার নাম জালাল উদ্দিন শিকদার; মা, আনোয়ারা বেগম। তিন ভাইয়ের মধ্যে আমিই বড় মেজ ভাই আহসানুল আলম শিকদার, ব্যবসায়ী ছোট ভাই, আসাদুল আলম শিকদার, বিজ্ঞাপন নির্মাতা। স্ত্রী, শাহানা বেগম। দুই সন্তান, দুজনই ছেলে, বড়টার নাম শিহাব আলম শিকদার জিজান; ছোটটা, শোয়েব আলম শিকদার আকাশ

আমার লেখা পড়া গ্রামেই, ১৯৮২-তে স্কুল ফাইনাল পরে গ্রাম থেকে বেরিয়ে এসে আরো কিছু পড়া শোনা নাটক-সিনেমা নিয়ে

১৯৯১তে ঢাকায় এসে প্রথম পেশা হিসাবে ইউনাইটেড এ্যাডভার্টাইজিংয়ে বিজ্ঞাপণ নির্মাতা হিসাবে চাকরি শুরু করি, তাপসদার সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে। অল্প কয়েক মাস পরেই সে চাকরি ছেড়ে দিয়ে কিছুদিন বেকার থাকি এবং তারপর নেটওয়ার্কের সোহেল ভাই (জাহিদ মাহমুদ সোহেল, আমার বইয়ের ভূমিকায় ছাপাখানার ভূতের কারনে ছাপা হয়েছে সোহেল রহমান) আবারো আমাকে হাত ধরে টেনে ফিরিয়ে নিয়ে আসে বিজ্ঞাপন নির্মানের জগতে। পরে ১৯৯৫ সাল নাগাদ এ্যডভেন্ট ইন্টারপ্রাইজে ফ্রিলেন্সার বিজ্ঞাপন নির্মতা হিসাবে যোগ দান করি। পরে সেখানে চাকরিও করেছি জীবনের সবচাইতে বেশী সময়। তারপরেও আরো কয়েকটা প্রতিষ্ঠানে ক্রিয়েটিভ ডিরেকটা হিসাবে কাজ করেছি। ২০১৩ সালে আমি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলাম 

 দুই মাস। তারপর থেকে বাসায়। অর্থাৎ অবসর। তবে এ্যডভেন্ট ইন্টারপ্রাইজের সাথে নাড়ীর টানটা আজো রয়ে গেলো।
বিজ্ঞাপন নির্মানের পাশাপাশি–অর্থাৎ ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করবার সাথে সাথে–আমি চিত্রনাট্যকার, ক্যামেরা ম্যান এবং এডিটিং ও এনিমেশনের কাজও করেছি। আবার প্রিন্ট মিডিয়ার জন্যে গ্রাফিক ডিজাইনও করেছি পেশাগত দায়িত্বের বাইরে পেশাদারের মতোই। কিছু ওয়েব সাইটও নির্মান করেছি। এ সবের মধ্যে প্রায় পঞ্চাশটারও বেশী বিজ্ঞাপন চিত্র, বারোটা টিভি-নাটক, তিনটে টিভি সিরিয়াল, বিশ-বাইশটা মিউজিক ভিডিও এবং গোটা পাঁচেক প্রামান্য-চিত্র নির্মান করেছি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফরমায়েসে।
এখন পার্ল এন্ড কোম্পানির উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করবার সাথে সাথে লেখালিখি করছি।